April 19, 2026, 9:38 am

রত্নগর্ভা’ মাকে নিয়ে আবেগাপ্লুত নায়ক জায়েদ খান

স্টাফ রিপোর্টারঃ- সাহিদা হক।যিনি ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক মা দিবস উপলক্ষে সফল মা হিসেবে ‘রত্নগর্ভা মা’ সম্মাননা ভূষিত হোন।সাহিদা হক চার সন্তানের জননী।সবাই দেশের সরকারি শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)থেকে পড়াশোনা করেছেন। কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত তাঁরা। বড় ছেলে শহীদুল হক পুলিশ কর্মকর্তা। মেজ ছেলে ওবায়দুল হক ব্যারিস্টার এবং বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার। একমাত্র মেয়ে শিরিন আক্তার একটি বেসরকারি সংস্থার ব্যবস্থাপক। ছোট ছেলে জায়েদ খান চিত্রনায়ক পাশাপাশি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিতীয় বারের মতো সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

সেই মায়ের জন্য বছরে একটি বিশেষ দিন মা দিবস। প্রতি বছরের মে মাসের প্রথম রোববারে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিনটি।এদিনে মাকে নিয়ে স্মৃতিকথার ঝুলি খুলেছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়ক জায়েদ খান। মা দিবসে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জায়েদ খান বলেন,পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর ডাক হচ্ছে মা।মায়ের তুলনা শুধুই মা। আমার জীবনে মায়ের ভূমিকা অনেক। সব কাজেই মায়ের সমর্থন পেয়েছি। কতটা কি হতে পেরেছি, জানি না। তবে যা কিছু অর্জন সব আমার মায়ের দোয়ার কারণেই বলে মনে করি। মা সব সময় একটা কথাই বলেছেন সৎ জীবন-যাপন। সর্বদা সৎ থাকতে। মানুষের পাশে দাঁড়াতে। আমি মায়ের সেই আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছি।

জায়েদ খান আরও বলেন, মায়ের কোন দিবস নেই।আমার মাকে আগে খুব একটা সময় দিতে পেরেছি কি না জানিনা, তবে বাবা মারা যাওয়ার পর মাকে চোখের আড়াল করতে পারি না। মা দিবসে পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

ক্যাপশন :- মায়ের সঙ্গে জায়েদ খান।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা